শীঘ্রই লেনদেনে নামবে আমান

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া বিবিধ খাতের কোম্পানি আমান ফিড পুঁজিবাজারে শীঘ্রই লেনদেনে নামবে। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে লেনদেনে নামার সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেছে। এখন শুধু রেগুলেটদের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে। কোম্পানির সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ইতোমধ্যে কোম্পানির লটারিতে বরাদ্দপ্রাপ্ত শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে জমা হয়েছে। এখন লেনদেন শুরু হবে ঢাকা এক্সচেঞ্জ কমিশন (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম এক্সচেঞ্জ কমিশন (সিএসই) ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী। তাই উভয় স্টকের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে কোম্পানিটির লেনদেনে আসার দিনক্ষণ। তবে চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ের আগেই লেনদেনে আসার সম্ভাবনার কথা জানালেন কোম্পানিটি।
আমান ফিডের সচিব নন্দন চন্দ্র দে বলেন, যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব লেনদেনে নামবে কোম্পানিটি। তবে লেনদেন নামাটা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে ডিএসইর ও সিএসই’র সিদ্ধান্তে ওপর। আমদের লেনদেন করার আগে প্রায় সব কার্যক্রম শেষ হযেছে। তাই ডিএসইর ও সিএসই’র লিস্টিং হলেই আমরা লেনদেনে দিনক্ষণ বলতে পারব।
উল্লেখ্য, সদ্য অনুমোদন পাওয়া কোম্পানিটি ২৪ জুন আইপিও লটারির ড্র সম্পন্ন করেছে। লটারিও উদ্বোধন করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম। কোম্পানির আইপিওতে ৭২ কোটি টাকার বিপরীতে ৯১০ কোটি ৫৪ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়েছিল। যা চাহিদার তুলনায় ১২.৬৪ গুণ বেশি। আদায়কৃত অর্থের মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ৫৯২ কোটি ১৪ লাখ ৬০ হাজার টাকার, ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা ৭৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকার, প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা ১৪ কোটি ৩ লাখ ৫৬ হাজার টাকার এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডের কাছ থেকে ২২৮ কোটি ১ লাখ ১৭ হাজার টাকার আবেদন জমা হয়েছিল।
এর আগে গত ২৫ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত আমান ফিডের আইপিওর আবেদন জমা নেওয়া হয়। স্থানীয় এবং অনিবাসী বাংলাদেশি- উভয় ধরনের বিনিয়োগকারীর জন্য এই সময়সীমা প্রযোজ্য ছিল। গত ৯ এপ্রিল বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৪১তম সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। আইপিওতে কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে লঙ্কা বাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।
প্রসপেক্টস সূত্রে, আমান ফিড কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালক ৪ জন। কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকদের মধ্যে কোম্পানির চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, চেয়ারম্যানের দুই ভাই শফিকুল ইসলাম ও তৌফিকুল ইসলাম, চেয়ারম্যানের ছেলে তরিকুল ইসলাম। এছাড়াও নমিনী পরিচালক হিসেবে রয়েছেন আজিজুল হক।
সর্বশেষ অর্থবছরে কোম্পাটির মুনাফা সামান্য বেড়েছে। তবে সেই তুলনায় কোম্পানিটি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ছিল। কোম্পানিটি জুন ২০১৪ সালে স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি লোন রয়েছে ১২৪ কোটি টাকা।
আইপিওতে কোম্পানিটি নিট এ্যাসেট ভ্যালু পার শেয়ার (এনএভিপিএস) ৩০.৭৭ টাকা। শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ৪.৯৭ টাকা। আমান ফিডের পরিশোধিত মূলধন ৬০ কোটি টাকা। আর আইপিও’র অর্থ সংগহের পরে পরিশোধিত মূলধন হবে ৮০ কোটি টাকা। কোম্পানিটি অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি টাকা। আইপিও’র পরে শেয়ার সংখ্যা দাঁড়াবে ৮ কোটি শেয়ার।
আইপিও মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে সংগ্রহ করেছে ৭২ কোটি টাকা। এই টাকার মধ্যে কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণ খাতে ব্যয় করবে ৩৫ কোটি টাকা। চলতি মূলধন হিসেবে থাকবে ২৯ কোটি ৯১ লাখ ৭৬ হাজার ৮৬৭ টাকা। বাকী দীর্ঘমেয়াদি লোন ও অর্থ আইপিও খাতে ব্যয় হিসেবে ধরা হয়েছে।
কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৭২ কোটি সংগ্রহ করছে। এর মধ্যে প্রিমিয়ামে ৫২ কোটি টাকা এবং ফেস ভ্যালুতে ২০ টাকা আদায় করছে। এ জন্য প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৬ টাকা। কোম্পানির ২০০টি শেয়ারে মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে। আইপিও পরে আমান ফিড উদ্যেক্তা পরিচালক কোম্পানির অধিকাংশ ধারণ করবে।
শেয়ারনিউজ২৪/ইউ/১০.৫৬ঘ.

 

অর্থ সংগ্রহে নামবে সিমটেক্স

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের অনুমোদন পাওয়া সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহে নামবে ২৪ আগস্ট সোমবার। এর মেয়াদকাল থাকবে ১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার পর্যন্ত। কোম্পানির প্রসপেক্টরস সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, দেশিসহ প্রবাসী উভয় বিনিয়োগকারীর এই সময় মধ্যে আইপিও আবেদন করতে হবে। সিমটেক্স কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৬০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।
কোম্পানিটি অভিহিত মূল্যের সাথে ১০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২০ টাকা মূল্যে শেয়ার অনুমোদন দিয়েছে বিএসইসি।
সিমটেক্স এর সবশেষ অর্থবছরে (জুলাই-জুন) নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.৩৩ টাকা। নেট এসেট ভ্যালু (এনএভি) হয়েছে ১৯.৬০ টাকা। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড।
সিমটেক্স পুঁজিবাজার থেকে টাকা সংগ্রহ করে মূলধনী বিনিয়োগ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ, চলতি মূলধন অর্থায়ন ও আইপিওর কাজে ব্যয় করবে।
শেয়ারনিউজ২৪/এজেড/ইউ/১৮.৪৫ঘ.

 

কেডিএস এক্সেসরিজের আবেদন শুরু ৯ আগস্ট

কেডিএস এক্সেসরিজের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন ৯ আগস্ট থেকে শুরু হবে। আবেদনের শেষ তারিখ হচ্ছে ২০ আগস্ট। সাধারণ বিনিয়োগকারী ও অনাবাসী বাংলাদেশীরা এ সময়ে আবেদন করতে পারবেন। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
কেডিএস এক্সেসরিজ ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ারের মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে মোট ২৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে অতিরিক্ত ১০ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের ইস্যু মূল্য হচ্ছে ২০ টাকা।
সংগৃহীত অর্থে কোম্পানি ব্যবসা সম্প্রসারণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খরচ বাবদ ব্যয় করবে।
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ (বিএসইসি) কমিশনের ৫৪৫তম সভায় কেডিএস এক্সেসরিজের আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।
২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.২২ টাকা। শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে (এনএভিপিএস) ২১.৮৫ টাকায়।
শেয়ারনিউজ২৪/ইউ/১৫.২০ঘ.

 

Vacation of Eid-ul-Fitr

Dear Bdipo Subscribers,

EID-UL-FITR is coming, the great festival for the Muslims. BDIPO wish you have a great festival enjoyment ahead. All the activities & services of BDIPO will remain closed from July 17, 2015 to July 22, 2015. BDIPO will resume it’s regular activities & services on July 22,  2015. During this time, you can pay online using card.

Have fun & spread happiness & joy on this great occasion.

ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের আইপিও স্থগিত

স্থগিতই হয়ে গেছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন। সোমবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

‘স্থগিত হতে পারে ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের আইপিও’ শিরোনামে একটি অনলাইন পত্রিকায় সংবাদটি প্রকাশ করা হয় গত শনিবার। তাতে বলা হয়েছিল, কোম্পানিটি আইপিওর আগে মূলধন বাড়ালেও বিমা খাতের নিয়ন্ত্রক আইডিআরএর অনুমোদন নেয়নি। এ নিয়ে আইনী জটিলতা তৈরি হয়েছে। তাই আইপিওর আবেদন জমা নেওয়ার বিষয়টি স্থগিত হয়ে যেতে পারে।

তবে তখন বিএসইসি বলেছিল, তারা সব নথিপত্র যাচাই-বাছাই করেই ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের আইপিও অনুমোদন করেছে। তাই এটি বাতিল বা স্থগিত করার প্রশ্নই উঠে না।

অন্যদিকে সোমবার সকালে ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের কোম্পানি সচিব দাবি করেছেন, আইডিআরএর সাথে তাদের সমঝোতা হয়েছে। তাই তারা আবেদনের সময় পেছানোর আবেদন করবেন না। মঙ্গলবার থেকেই আবেদন জমা নেওয়া হবে।

কিন্তু আইডিআরএর অনমনীয় অবস্থার কাছে নতজানু হতে হল ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সকে। আর তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে স্থগিত করতে হল আইপিওর আবেদন জমা। এর মধ্যদিয়ে বিমা খাতের নিয়ন্ত্রক আইডিআরএ ও পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক বিএসইসির মধ্যে সদস্য শুরু হওয়া স্নায়ুর যুদ্ধে বিএসইসি হেরে গেল।

মূলধন বাড়ানোর বিষয়ে বিমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ’র অনুমোদন না নেওয়ায় সংস্থাটি ক্ষুব্ধ হয়ে বিএসইসিকে ব্যবস্থা নিতে বলেছিল।

বিএসইসি বলছে, অনিবার্য কারণে কমিশন আইপিও আবেদন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নেপথ্যের বিষয়টি তারা আড়াল করে যাচ্ছে।

কোম্পানিটি আগামীকাল ৩০ জুন মঙ্গলবার থেকে ৯ জুলাই বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আবেদন গ্রহণের সময়সীমা নির্ধারণ করেছিল।
এর আগে বিএসইসির ৫৪৩তম সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ১ কোটি ৭৭ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। কোম্পানিটিকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।

বিএসইসির অনুমোদনের পর মূলধন বাড়ানোর ইস্যুতে বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) সঙ্গে কোম্পানির টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। আর আইপিও আবেদন নির্ধারিত সময়ে জমা নেওয়া হবে কিনা সে বিষয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল।
আইডিআরএর অভিযোগ, কোম্পানিটি অনুমোদিত ও পরিশোধিত মূলধন বাড়ালেও তার জন্য অনুমোদন নেয়নি। তাছাড়া কোম্পানির সংঘস্মারক ও সংঘবিধিতে উল্লেখ করা মূলধনের সাথে আইপিওর প্রসপেক্টাসে উল্লিখিত মূলধনের মিল নেই। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে আইডিআরএ’র পক্ষ থেকে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির কাছে চিঠি পাঠানো হয়।

অন্যদিকে বিএসইসির বক্তব্য, কোম্পানি ও তার ইস্যু ম্যানেজার তাদের কাছে যে নথিপত্র জমা দিয়েছে, তার ভিত্তিতেই তারা আইপিওর অনুমোদন দিয়েছিল।

এ বিষয়ে তাদের কিছু করণীয় নেই। বিমা আইন লংঘন করে থাকলে কোম্পানির বিরুদ্ধে আইডিআরএ ব্যবস্থা নিতে পারে।
এমন জটিলতায় পড়ে ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কর্তৃপক্ষকে শোকজ করে আইডিআরএ। সংস্থাটির সঙ্গে কয়েক দফা কোম্পানির বৈঠকের পর আইপিও আবেদন পেছানোর সিদ্ধান্ত নেয় তারা। এর প্রেক্ষিতে বিএসইসিতে আইপিওর স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন করে কোম্পানি। আবেদনটি বিবেচনায় নিয়ে স্থগিতাদেশ দেয় বিএসইসি।

শেয়ারনিউজ২৪/এজেড/ইউ/১১.৩০ঘ.

অলিম্পিক অ্যাক্সেসরিজের লেনদেন ২৫ জুন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির অনুমোদন পাওয়া অলিম্পিক অ্যাক্সেসরিজ লিমিটেড আগামী ২৫ জুন বৃহস্পতিবার পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু করবে। ওই দিন কোম্পানিটি ‘এন’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু করবে পুঁজিবাজারে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অলিম্পিক অ্যাক্সেসরিজের ট্রেডিং কোড হবে ‘OAL’। আর কোম্পানি কোড হবে ১৩২৩৯। কোম্পানিটি প্রকৌশল খাতের অধীনে লেনদেন করবে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) কোম্পানির স্ক্রীপ আইডি হবে ১৬০৩৩। আর স্ক্রীপ কোড হবে ‘OAL’।
প্রসঙ্গত, কোম্পানিটি গত ২১ জুন আইপিওর লটারিতে পাওয়া শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে জমা করেছে। এর আগে ১১ জুন ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে কোম্পানিটির তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেওয়া হয়। আর ১৪ মে কোম্পানিটি সিএসইতে তালিকাভুক্তির অনুমোদন পেয়েছে।
অলিম্পিক অ্যাক্সেসরিজ আইপিওর লটারির ড্র গত ২০ মে সম্পন্ন করে।
কোম্পানির আইপিও আবেদন শুরু হয় গত ১৯ এপ্রিল থেকে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য এই সুযোগ ছিল ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এই সুযোগ ছিল ২ মে পর্যন্ত।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৩৯তম সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।
কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। কোম্পানিটিকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দেয় বিএসইসি।
২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী অলিম্পিক অ্যাক্সেসরিজের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৪৩ পয়সা। নেট এসেট ভ্যালু (এনএভি) হয়েছে ১৬ টাকা ৩৪ পয়সা ।
শেয়ারনিউজ২৪/ইউ/১৫.৪০ঘ.

 

আমান ফিডের লটারি ড্র ২৪ জুন

প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া কোম্পানি আমান ফিডের আইপিওর লটারির ড্র আগামী ২৪ জুন বুধবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউটে অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানি সচিব নন্দন কুমার দে শেয়ারনিউজ২৪.কমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কোম্পানি সূত্রে জানা যায়, আইপিওতে অনুমোদন পাওয়া আমান ফিডের আইপিও চাহিদার তুলনায় ১২.৬৪ গুন আবেদন বেশি জমা পড়েছে। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ২ কোটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ৭২ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এই ৭২ কোটি টাকার বিপরীতে কোম্পানিটির আইপিওতে মোট ৯১০ কোটি ১৯ লাখ ২৩ হাজার ২০০ টাকার আবেদন জমা পড়েছে। যা চাহিদার তুলনায় ১২.৬৪ গুন।

জানা যায়, এর আগে ২৫ মে, সোমবার থেকে শুরু হয় এ কোম্পানির আইপিওতে আবেদন গ্রহণ। আমান ফিডের মাধ্যমে আইপিও আবেদনের নতুন পদ্ধতি শুরু হয়েছে। এ পদ্ধতির আওতায় শুধু ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্ট (ডিপি) তথা ব্রোকারহাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে আবেদন জমা দেয়া হয়। আমান ফিডের আইপিওতে স্থানীয় ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা ২৫ মে, সোমবার থেকে ৪ জুন, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আবেদন জমা দিয়েছেন।

৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত হিসাব অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ৪.৯৭ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) ৩০.৭৭ টাকা।
শেয়ারনিউজ২৪/এজেড/ইউ/২০.০৭ঘ.

 

তসরিফার লেনদেন বুধবার

১৭ জুন বুধবার তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার লেনদেন শুরু হচ্ছে। কোম্পানির সিএফও জিল্লুর রহমান শেয়ারনিউজ২৪.কমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দের জন্য ২৭ এপ্রিল তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের লটারি ড্র অনুষ্ঠিত হয়।
কোম্পানি সূত্রে জানা যায়, তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের প্রাথমিক গণ প্রস্তাবে (আইপিও)১০ দশমিক ৫০ গুণ আবেদন জমা পড়ে। কোম্পানিটির ৬৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকার চাহিদার বিপরীতে ৬৭০ কোটি ৩৬ লাখ ৯৪ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়ে।
কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ২ কোটি ৪৫ লাখ ৬৬ হাজার শেয়ার ছেড়ে ৬৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা সংগ্রহ করে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১৬ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৬ টাকায় কোম্পানিটিকে শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দেয়। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৩৮তম সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।
৩১ ডিসেম্বর ২০১৩ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৪৯ পয়সা। নেট এসেট ভ্যালু (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৪১ পয়সায় ।

শেয়ারনিউজ২৪/এজেড/ইউ/২০.৩৭ঘ.