আগামী ১৬ আগস্ট ফরচুন সুজের আইপিও আবেদন শুরু

শতভাগ রপ্তানিকারক জুতা প্রস্তুতকারক কোম্পানি ফরচুন সুজ শেয়ারবাজার থেকে টাকা সংগ্রহের লক্ষে এরই মধ্যে গত ২৯ জুন অনুমোদন পেয়েছে। আর এ লক্ষ্যে আগামী ১৬ আগস্ট থেকে কোম্পানিটির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদন শুরু হবে। চলবে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে ২ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ২২ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। যা দিয়ে ভবন নির্মাণ, মেশিন ও ইক্যুপমেন্ট ক্রয় করা হবে। এ ক্ষেত্রে কোম্পানিটি প্রতিটি শেয়ার ১০ টাকা মূল্যে (প্রিমিয়াম ব্যতীত) ইস্যু করবে। ২০১০ সালের ১৪ মার্চ প্রাইভেট কোম্পানি হিসাবে আত্মপ্রকাশ করা ফরচুন সুজ ২০১১ সালের ৭ সেপ্টেম্বর উৎপাদন শুরু করে। এরপরে ২০১৫ সালের ১৪ জানুয়ারি কোম্পানিটি পাবলিক কোম্পানি হিসাবে রুপান্তর হয়। শতভাগ রুপ্তানিকারক ফরচুন সুজ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জুতা রপ্তানি করে থাকে। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে- তাইওয়ান, নেদারল্যান্ডস, স্পেইন, সুইজারল্যান্ড, কানাডা ও জার্মানি। কোম্পানিটি শিশু, নারী, পুরুষ সবার জন্য জুতা তৈরী করে। কোম্পানিটি সর্বশেষ ৯ মাসে (২০১৫ জুন-২০১৬ ফেব্রুয়ারি) ৭৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকার বিক্রয় ও ৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা মুনাফা করেছে। এ ৯ মাসে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.০৩ টাকা। কোম্পানিটি আগের অর্থবছরে (২০১৪ জুন-২০১৫ মে) ৯১ কোটি বিক্রয় করে। এখান থেকে ৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা মুনাফা করে। ৭৫ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটিতে ২৮ কোটি ১০ লাখ টাকার সংরক্ষিত আয় রয়েছে। যাতে শেয়ারপ্রতি সম্পদ দাড়িয়েছে ১৩.৭৫ টাকা করে। আর কোম্পানিটি শুধুমাত্র অভিহিত মূল্যে শেয়ারবাজারে আসার কারনে আইপিও পরবর্তী সময়ে তা দাড়াবে ১২.৯০ টাকায়। এক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা আইপিওতে ১০ টাকা বিনিয়োগ করলেও মালিকানা পাবে আরো ২.৯০ টাকার বেশি। কোম্পানিটিতে চেয়ারম্যান হিসেবে মো. মিজানুর রহমান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে রোকসানা রহমান রয়েছেন। এ ছাড়া পরিচালনা পর্ষদে রয়েছেন মো. আমানুর রহমান, মো. রবিউল ইসলাম ও স্বতন্ত্র পরিচালক হিসাবে মো. রুহুল আমিন মোল্লা। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইমপেরিয়াল কেপিটাল ও প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট।

(দ্য রিপোর্ট/আরএ/এম/জুলাই ২১, ২০১৬)

 

রবিবার ইভিন্স টেক্সটাইলের শেয়ার লেনদেন শুরু

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদন ও লটারি শেষ হওয়া ইভিন্স টেক্সটাইলসের শেয়ার লেনদেন শুরু হবে আগামী রবিবার (১৭ জুলাই)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ‘এন’ ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড ‘ETL’ ও ডিএসই কোম্পানি কোড ১৭৪৭২।ইভিন্স টেক্সটাইল আইপিওর মাধ্যমে ১ কোটি ৭০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করার অনুমোদন পায়। প্রতিটি শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য হচ্ছে ১০ টাকা। অর্থাৎ কোনো প্রিমিয়াম ছাড়াই কোম্পানি বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করবে। উত্তোলিত অর্থে কোম্পানিটি মেশিনারিজ ক্রয়, ভবন নির্মাণ, চলতি মূলধন ও আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। মূলধন সংগ্রহের লক্ষ্যে গত ২ মে থেকে ইভিন্স টেক্সটাইলসের আইপিওতে আবেদন শুরু হয় এবং চলে ১২ মে পর্যন্ত। এ সময় কোম্পানিটির চাহিদার থেকে প্রায় ৩২ গুণ বেশি আবেদন জমা পড়ে। যাতে আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দের লক্ষ্যে ২ জুন লটারি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ৪ এপ্রিল (সোমবার) অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশন সভায় কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১.৬২ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৭.৬২ টাকা।

কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজারের দায়িত্বে রয়েছে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

(দ্য রিপোর্ট/আরএ/এম/জুলাই ১৪, ২০১৬)

 

ফরচুন সুজ লিমিটেডকে আইপিও অনুমোদন

ফরচুন সুজ লিমিটেডকে শেয়ারবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সোমবার বিএসইসি’র কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিএসইসি’র নির্বাহি পরিচালক ও মূখপাত্র মোঃ সাইফুর রহমান সাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটিকে প্রতিটি শেয়ার ১০ টাকা মূল্যে (প্রিমিয়াম ব্যতিত) ২২ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে কোম্পানিটি ২ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ইস্যু করবে।

কোম্পানিটি শেয়ারবাজার থেকে উত্তোলিত টাকা দিয়ে ভবন নির্মাণ, মেশিন ও সরঞ্জাম ক্রয় এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে।

২০১৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি সময়ে (৯ মাসে) কোম্পানিটি প্রতিটি শেয়ারে আয় (ইপিএস) করেছে ১.২২ (ওয়েটেড এভারেজ) টাকা। ২৯ ফেব্রুয়ারিতে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারে সম্পদ (এনএভিপিএস) দাড়িয়েছে ১৩.৭৫ টাকা। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইমপেরিয়াল কেপিটাল ও প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট।এদিকে আজকের কমিশন সভায় ডিপিজিটরির প্রদত্ত সেবার (সিডিএস) ফি সংক্রান্ত ডিপজিটরি (ব্যবহারিক) প্রবিধানমালা, ২০০৩ এর সিডিউল এর খসড়া সংশোধনীতে বিও হিসাব রক্ষন ও অন্যান্য ফি কমানো এবং নতুন ইনস্ট্রুমেন্ট সংযোজনসহ ফি পুনবিন্যাস করে অনুমোদন করা হয়েছে। যা জনমত জরিপের জন্য দৈনিক পত্রিকা ও কমিশনের ওয়াব সাইটে প্রকাশ করা হবে।

(দ্য রিপোর্ট/আরএ/জুন ২৯, ২০১৬)

১৭ জুলাই থেকে ইভিন্স টেক্সটাইলের শেয়ার লেনদেন শুরু

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদন ও লটারি শেষ হওয়া ইভিন্স টেক্সটাইলসের শেয়ার লেনদেন শুরু হবে আগামি ১৭ জুলাই থেকে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ‘এন’ ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড ‘ETL’ ও ডিএসই কোম্পানি কোড ১৭৪৭২। ইভিন্স টেক্সটাইল আইপিও’র মাধ্যমে ১ কোটি ৭০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করার অনুমোদন পায়। প্রতিটি শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য হচ্ছে ১০ টাকা। অর্থাৎ কোনো প্রিমিয়াম ছাড়াই কোম্পানি বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করবে। উত্তোলিত অর্থে কোম্পানিটি মেশিনারিজ ক্রয়, ভবন নির্মাণ, চলতি মূলধন ও আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। মূলধন সংগ্রহের লক্ষে গত ২ মে থেকে ইভিন্স টেক্সটাইলসের আইপিওতে আবেদন শুরু হয় এবং চলে ১২ মে পর্যন্ত। এসময় কোম্পানিটির চাহিদার থেকে প্রায় ৩২ গুণ বেশি আবেদন জমা পড়ে। যাতে আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দের লক্ষে ২ জুন লটারি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ৪ এপ্রিল (সোমবার) অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশন সভায় কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১.৬২ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৭.৬২ টাকা। কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজারের দায়িত্বে রয়েছে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

(দ্য রিপোর্ট/আরএ/জুন ২৮, ২০১৬)

 

আজ থেকে শুরু ইয়াকিন পলিমারের আইপিও আবেদন

আজ থেকে ইয়াকিন পলিমার লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন করা শুরু। যা চলবে ২০ জুলাই পর্যন্ত। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র মতে, আজ ১০ জুলাই রোববার থেকে আগামী ২০ জুলাই বুধবার পর্যন্ত চলবে এ কোম্পানীর আইপিও আবেদন। স্থানীয় এবং প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য একই সময় নিধারণ করা হয়েছে। কোম্পানির মার্কেট লট ৫০০ শেয়ার নিধারণ করা হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের আবেদনের জন্য ৫ হাজার টাকা জমা দিতে হবে। একজন বিনিয়োগকারী একক নামে একটি এবং যৌথ নামে আবেদন করতে পারবেন। উল্লেখ্য, গত ১৯ মে বিএসইসির ৫৭৩তম কমিশন সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্য পুঁজিবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ টাকা দিয়ে মেশিনারিজ ক্রয়, কারখানা ও প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক খাতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি। কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং ফাস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। ৩০ জুন, ২০১৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১.৪১ টাকা। আর শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৪.৬১ টাকা । শেয়ারনিউজ২৪/এম আর এইচ/০২:৩৭

Vacation of Eid-ul-Fitr

Dear Bdipo Subscribers,

EID-UL-FITR is coming, the great festival for the Muslims. BDIPO wish you have a great festival enjoyment ahead. All the activities & services of BDIPO will remain closed from July 04, 2015 to July 09, 2015. BDIPO will resume it’s regular activities & services on July 10,  2015. During this time, you can pay online using card.

Have fun & spread happiness & joy on this great occasion.

ইভিন্স টেক্সটাইলের লিস্টিং অনুমোদন দিলো ডিএসই

প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) লটারির ড্র সম্পন্ন করা বস্ত্র খাতের কোম্পানি ইভিন্স টেক্সটাইল লিমিটেডকে শেয়ারবাজারে লিস্টিংয়ের অনুমোদন দিয়েছে ঢাকা স্টক একচেঞ্জে (ডিএসই)। আজ (১৯ জুন) রোবাবর ডিএসই’র পরিচালনা পর্ষদ সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে লেনদেন শুরুর তারিখ পরবর্তী পরিচালনা পর্ষদ সভা নেওয়া হবে বলে ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। সূত্রে জানায়, ইভিন্স টেক্সটাইলের লটারি ড্রয়ে বিজয়ীদের শেয়ার সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) মাধ্যমে জমা হওয়ার পরই তালিকাভুক্তির তারিখ নিধার্রণ করবে ডিএসই। উল্লেখ্য, গত ২ জুন ইভিন্স টেক্সটাইলের আইপিও লটারি অনুষ্ঠিত হয়। এরপর কোম্পানিটি লটারি-তে বিজয়ী বিও হিসাবে শেয়ার জমা করার জন্য সিডিবিএলে আবেদন করেছে। তবে সিডিবিএল এখনও বিজয়ী বিও হিসাবে কোম্পানিটির শেয়ার জমা করতে পারেনি। এ প্রসঙ্গে সিডিবিএলর এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, আগামী সপ্তাহের প্রথম দিকেই বিও-তে শেয়ার জমা সম্পন্ন হবে। জানা যায়, বিএসইসির ৫৫৯তম সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। ১০ টাকা অভিহিত মূল্য বাজারে ১ কোটি ৭০ লাখ শেয়ার ছাড়বে ইভিন্স টেক্সটাইল। যার মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০টি শেয়ারে। আর এর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করে কোম্পানিটি। পুঁজিবাজার থেকে টাকা সংগ্রহ করে মেশিনারিজ ক্রয়, ভবন নির্মাণ, চলতি মূলধন এবং আইপিওর খরচ কাজে ব্যয় করবে কোম্পানিটি। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৬২ টাকা। আর শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৭.৬২ টাকা। শেয়ারনিউজ২৪/এম আর এইচ/১৭:১০

১০ জুলাই থেকে ইয়াকিন পলিমারের আইপিও আবেদন শুরু

আগামী ১০ জুলাই থেকে ইয়াকিন পলিমারের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদন শুরু হবে। চলবে ২০ জুলাই পর্যন্ত। যে কোম্পানিটির শেয়ারবাজার থেকে উত্তোলিত টাকা ব্যবহারে প্রায় ৩০ শতাংশ টার্নওভার বাড়বে। কোম্পানিটির চেয়ারম্যান কাজী আনোয়ারুল হক দ্য রিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন। ইয়াকিন পলিমার আইপিও’র মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে অভিহিত মূল্যে ১০ টাকা করে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে এই টাকা সংগ্রহ করবে। ব্যবসায় সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এই টাকা দিয়ে মেশিনারিজ ক্রয়, কারখানা ও প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক খাতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি। আইপিও থেকে অর্থ সংগ্রহ ও ব্যবহার করতে প্রায় ৯ মাস সময় লেগে যাবে বলে জানান কোম্পানিটির চেয়ারম্যান কাজী আনোয়ারুল হক। যাতে আইপিও অর্থের সুফল পেতে ৯ মাস সময় লাগবে। আর আইপিও অর্থ ব্যবহারে ভবিষ্যতে ৩০ শতাংশ টার্নওভার বাড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। ইয়াকিন পলিমার ২০০১ সালে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসাবে রেজিস্ট্রিত হয় ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের অধীনে। কোম্পানিটি বাণিজ্যিকভাবে কাজ শুরু করে ২০০৩ সালের ১৫ জুলাই। সাতক্ষীরায় রয়েছে ইয়াকিন পলিমারের ফ্যাক্টরি। কোম্পানিটির প্রধান উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে রয়েছে সিমেন্ট, ফিড ও টেক্সটাইল দ্রব্যের জন্য ব্যাগ তৈরি করা। এ ছাড়া কোম্পানিটি গার্মেন্টস এক্সেসরিজের জন্য পলি, পণ্যদ্রব্য রপ্তানির জন্য বাল্ক ব্যাগ ও তারপলি (ত্রিপল) উৎপাদন করে থাকে। ইয়াকিন পলিমার বিশেষ বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ব্যাগ তৈরি করে বলে জানান কোম্পানিটির চেয়ারম্যান। পুন-ব্যবহারযোগ্য শপিং ব্যাগ তৈরি করা যার মধ্যে অন্যতম। এ ছাড়া পাতলা ও রিসাইকেলঅ্যাবল ব্যাগ রয়েছে এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের মধ্যে। চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশে ইয়াকিন পলিমারের ন্যায় দ্রব্য তৈরি করে এমন আরো প্রায় ৬০ এর অধিক কোম্পানি রয়েছে। এর মধ্যে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে ১০টি কোম্পানি। ইয়াকিন পলিমার এই ১০টি’র একটি। সাতক্ষীরার একটি স্বল্প উন্নত এলাকায় ফ্যাক্টরি তৈরি এবং সেখান থেকে উৎপাদিত দ্রব্য বিদেশে রপ্তানি করতে পেরে গর্ববোধ প্রকাশ করেন কোম্পানিটির চেয়ারম্যান। এ ছাড়া সাতক্ষীরায় সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টরি তৈরি ও প্রায় ৭৫০ জনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারায় আনন্দ প্রকাশ করেন। ২০১৫ সালের ৩০ জুন হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৪১ টাকা। আর ২০১৫ সালের ৩০ জুনে শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৪.৬১ টাকায়।

(দ্য রিপোর্ট/আরএ/এইচ/জুন ১২, ২০১৬)

 

ইয়াকিন পলিমার আইপিও জমার তারিখ নির্ধারণ

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তলনের অনুমোদন পাওয়া ইয়াকিন পলিমার লিমিটেডের আইপিও জমার তারিখ নির্ধালণ করেছে। আগামী ১০ জুলাই থেকে শুরু হয়ে আগামী ২০ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করতে পারবে বিনিয়োগকারীরা। নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। স্থানীয় ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য একই সময়সীমা নির্ধারণ করেছে কোম্পানিটি। জানা যায়, ইয়াকিন পলিমার ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা বাজার থেকে উত্তোলন করবে। এ টাকা দিয়ে মেশিনারিজ ক্রয়, কারখানা ও প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক খাতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি। এর আগে ৫৭৩তম বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ইয়াকিন পলিমারের আইপিও অনুমোদন দেন । কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং ফাস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। উল্লেখ্য, ৩০ জুন, ২০১৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস)হয়েছে ১.৪১ টাকা। আর শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৪.৬১ টাকা।

শেয়ারনিউজ২৪/এম আর এইচ/১২:৩০