প্যাসিফিক ডেনিমসের আইপিও অনুমোদন

শেয়ারবাজার থেকে টাকা সংগ্রহের লক্ষে বস্ত্র খাতের প্যাসিফিক ডেনিমস প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পেয়েছে। শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৮২তম কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহি পরিচালক ও মূখপাত্র মোঃ সাইফুর রহমান সাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। প্যাসিফিক ডেনিমস শেয়ারবাজার থেকে ৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। প্রতিটি শেয়ার অভিহিত মূল্য ১০ টাকা করে ৭ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে এ টাকা সংগ্রহ করা হবে। সংগৃহীত টাকার ৪৭ কোটি ৯৪ লাখ টাকা দিয়ে ব্যবসায় সম্প্রসারন, ২৫ কোটি টাকা দিয়ে ঋণ পরিশোধ ও ২ কোটি ৬ লাখ টাকা আইপিও ব্যয় নির্বাহ কাজে ব্যবহার করা হবে। শতভাগ রপ্তানিকারক প্যাসিফিক সর্বশেষ ২০১৫ সালে ১৬৮ কোটি ২৫ লাখ টাকার বিক্রয় করে। এক্ষেত্রে কোম্পানিটি করপরবর্তী প্রায় ১০ কোটি টাকা নীট মুনাফা বা শেয়ারপ্রতি ২.৬৩ টাকা আয় করে। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নীট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো হয় ২ টাকা। ৩৮ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটিতে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরে শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) দাড়িয়েছে ২৬.৪৩ টাকায়।প্রাইভেট লিমিটেড হিসাবে ২০০৩ সালে গঠিত প্যাসিফিক ডেনিমস ২০০৭ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে। এছাড়া ২০১১ সালে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রুপান্তর হয়।কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড।

(দ্য রিপোর্ট/আরএ/সেপ্টেম্বর ০১, ২০১৬)

ফরচুন সু’র আইপিও আবেদন শুরু কাল থেকে

প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া ফরচুন সুজ লিমিটেডের আইপিও আবেদন কাল থেকে শুরু হচ্ছে। যা চলবে আগামী ২৮ আগস্ট পর্যন্ত। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা যায়, ফরচুন সুজের আইপিও আবেদন আগামী ১৬ আগস্ট থেকে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। স্থানীয় ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীরাদের জন্য একই সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে বিএসইসির অনুষ্ঠিত ৫৭৯তম কমিশন সভায়কোম্পানিটিকে আইপিও’র মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দেন নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড একচেঞ্জে কমিশন (বিএসইসি)। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্য মোট ২ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ২২ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। আইপিও’র মাধ্যমে উত্তোলিত টাকা কোম্পানিটি ভবন নির্মাণ, মেশিন ও সরঞ্জাম ক্রয় এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইমপেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটির ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬ পর্যন্ত ৯ মাসের সমাপ্ত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২২ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৩.৭৫ টাকা।

 

ইয়াকিন পলিমারের আইপিও লটারি ১০ আগষ্ট

আগামী ১০ আগষ্ট ইয়াকিন পলিমারের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদনকারীদের মধ্যে লটারি অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর কাকরাইলে ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে এ লটারি হবে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে ১০ থেকে ২০ জুলাই কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদন গ্রহণ করা হয়। কোম্পানিটি আইপিও’র মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে অভিহিত মূল্যে ১০ টাকা করে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে এই টাকা সংগ্রহ করবে। ব্যবসায় সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এই টাকা দিয়ে মেশিনারিজ ক্রয়, কারখানা ও প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক খাতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি। আইপিও থেকে অর্থ সংগ্রহ ও ব্যবহার করতে প্রায় ৯ মাস সময় লেগে যাবে বলে জানান কোম্পানিটির চেয়ারম্যান কাজী আনোয়ারুল হক। যাতে আইপিও অর্থের সুফল পেতে ৯ মাস সময় লাগবে। আর আইপিও অর্থ ব্যবহারে ভবিষ্যতে ৩০ শতাংশ টার্নওভার বাড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। ইয়াকিন পলিমার ২০০১ সালে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসাবে রেজিস্ট্রিত হয় ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের অধীনে। কোম্পানিটি বাণিজ্যিকভাবে কাজ শুরু করে ২০০৩ সালের ১৫ জুলাই। সাতক্ষীরায় রয়েছে ইয়াকিন পলিমারের ফ্যাক্টরি। কোম্পানিটির প্রধান উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে রয়েছে সিমেন্ট, ফিড ও টেক্সটাইল দ্রব্যের জন্য ব্যাগ তৈরি করা। এ ছাড়া কোম্পানিটি গার্মেন্টস এক্সেসরিজের জন্য পলি, পণ্যদ্রব্য রপ্তানির জন্য বাল্ক ব্যাগ ও তারপলি (ত্রিপল) উৎপাদন করে থাকে। ইয়াকিন পলিমার বিশেষ বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ব্যাগ তৈরি করে বলে জানান কোম্পানিটির চেয়ারম্যান। পুন-ব্যবহারযোগ্য শপিং ব্যাগ তৈরি করা যার মধ্যে অন্যতম। এ ছাড়া পাতলা ও রিসাইকেলঅ্যাবল ব্যাগ রয়েছে এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের মধ্যে। ২০১৫ সালের ৩০ জুন হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৪১ টাকা। আর ২০১৫ সালের ৩০ জুনে শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৪.৬১ টাকায়।

(দ্য রিপোর্ট/আরএ/জুলাই ৩১, ২০১৬)

আগামী ১৬ আগস্ট ফরচুন সুজের আইপিও আবেদন শুরু

শতভাগ রপ্তানিকারক জুতা প্রস্তুতকারক কোম্পানি ফরচুন সুজ শেয়ারবাজার থেকে টাকা সংগ্রহের লক্ষে এরই মধ্যে গত ২৯ জুন অনুমোদন পেয়েছে। আর এ লক্ষ্যে আগামী ১৬ আগস্ট থেকে কোম্পানিটির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদন শুরু হবে। চলবে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে ২ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ২২ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। যা দিয়ে ভবন নির্মাণ, মেশিন ও ইক্যুপমেন্ট ক্রয় করা হবে। এ ক্ষেত্রে কোম্পানিটি প্রতিটি শেয়ার ১০ টাকা মূল্যে (প্রিমিয়াম ব্যতীত) ইস্যু করবে। ২০১০ সালের ১৪ মার্চ প্রাইভেট কোম্পানি হিসাবে আত্মপ্রকাশ করা ফরচুন সুজ ২০১১ সালের ৭ সেপ্টেম্বর উৎপাদন শুরু করে। এরপরে ২০১৫ সালের ১৪ জানুয়ারি কোম্পানিটি পাবলিক কোম্পানি হিসাবে রুপান্তর হয়। শতভাগ রুপ্তানিকারক ফরচুন সুজ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জুতা রপ্তানি করে থাকে। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে- তাইওয়ান, নেদারল্যান্ডস, স্পেইন, সুইজারল্যান্ড, কানাডা ও জার্মানি। কোম্পানিটি শিশু, নারী, পুরুষ সবার জন্য জুতা তৈরী করে। কোম্পানিটি সর্বশেষ ৯ মাসে (২০১৫ জুন-২০১৬ ফেব্রুয়ারি) ৭৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকার বিক্রয় ও ৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা মুনাফা করেছে। এ ৯ মাসে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.০৩ টাকা। কোম্পানিটি আগের অর্থবছরে (২০১৪ জুন-২০১৫ মে) ৯১ কোটি বিক্রয় করে। এখান থেকে ৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা মুনাফা করে। ৭৫ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটিতে ২৮ কোটি ১০ লাখ টাকার সংরক্ষিত আয় রয়েছে। যাতে শেয়ারপ্রতি সম্পদ দাড়িয়েছে ১৩.৭৫ টাকা করে। আর কোম্পানিটি শুধুমাত্র অভিহিত মূল্যে শেয়ারবাজারে আসার কারনে আইপিও পরবর্তী সময়ে তা দাড়াবে ১২.৯০ টাকায়। এক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা আইপিওতে ১০ টাকা বিনিয়োগ করলেও মালিকানা পাবে আরো ২.৯০ টাকার বেশি। কোম্পানিটিতে চেয়ারম্যান হিসেবে মো. মিজানুর রহমান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে রোকসানা রহমান রয়েছেন। এ ছাড়া পরিচালনা পর্ষদে রয়েছেন মো. আমানুর রহমান, মো. রবিউল ইসলাম ও স্বতন্ত্র পরিচালক হিসাবে মো. রুহুল আমিন মোল্লা। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইমপেরিয়াল কেপিটাল ও প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট।

(দ্য রিপোর্ট/আরএ/এম/জুলাই ২১, ২০১৬)

 

রবিবার ইভিন্স টেক্সটাইলের শেয়ার লেনদেন শুরু

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদন ও লটারি শেষ হওয়া ইভিন্স টেক্সটাইলসের শেয়ার লেনদেন শুরু হবে আগামী রবিবার (১৭ জুলাই)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ‘এন’ ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড ‘ETL’ ও ডিএসই কোম্পানি কোড ১৭৪৭২।ইভিন্স টেক্সটাইল আইপিওর মাধ্যমে ১ কোটি ৭০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করার অনুমোদন পায়। প্রতিটি শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য হচ্ছে ১০ টাকা। অর্থাৎ কোনো প্রিমিয়াম ছাড়াই কোম্পানি বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করবে। উত্তোলিত অর্থে কোম্পানিটি মেশিনারিজ ক্রয়, ভবন নির্মাণ, চলতি মূলধন ও আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। মূলধন সংগ্রহের লক্ষ্যে গত ২ মে থেকে ইভিন্স টেক্সটাইলসের আইপিওতে আবেদন শুরু হয় এবং চলে ১২ মে পর্যন্ত। এ সময় কোম্পানিটির চাহিদার থেকে প্রায় ৩২ গুণ বেশি আবেদন জমা পড়ে। যাতে আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দের লক্ষ্যে ২ জুন লটারি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ৪ এপ্রিল (সোমবার) অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশন সভায় কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১.৬২ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৭.৬২ টাকা।

কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজারের দায়িত্বে রয়েছে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

(দ্য রিপোর্ট/আরএ/এম/জুলাই ১৪, ২০১৬)

 

ফরচুন সুজ লিমিটেডকে আইপিও অনুমোদন

ফরচুন সুজ লিমিটেডকে শেয়ারবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সোমবার বিএসইসি’র কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিএসইসি’র নির্বাহি পরিচালক ও মূখপাত্র মোঃ সাইফুর রহমান সাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটিকে প্রতিটি শেয়ার ১০ টাকা মূল্যে (প্রিমিয়াম ব্যতিত) ২২ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে কোম্পানিটি ২ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ইস্যু করবে।

কোম্পানিটি শেয়ারবাজার থেকে উত্তোলিত টাকা দিয়ে ভবন নির্মাণ, মেশিন ও সরঞ্জাম ক্রয় এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে।

২০১৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি সময়ে (৯ মাসে) কোম্পানিটি প্রতিটি শেয়ারে আয় (ইপিএস) করেছে ১.২২ (ওয়েটেড এভারেজ) টাকা। ২৯ ফেব্রুয়ারিতে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারে সম্পদ (এনএভিপিএস) দাড়িয়েছে ১৩.৭৫ টাকা। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইমপেরিয়াল কেপিটাল ও প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট।এদিকে আজকের কমিশন সভায় ডিপিজিটরির প্রদত্ত সেবার (সিডিএস) ফি সংক্রান্ত ডিপজিটরি (ব্যবহারিক) প্রবিধানমালা, ২০০৩ এর সিডিউল এর খসড়া সংশোধনীতে বিও হিসাব রক্ষন ও অন্যান্য ফি কমানো এবং নতুন ইনস্ট্রুমেন্ট সংযোজনসহ ফি পুনবিন্যাস করে অনুমোদন করা হয়েছে। যা জনমত জরিপের জন্য দৈনিক পত্রিকা ও কমিশনের ওয়াব সাইটে প্রকাশ করা হবে।

(দ্য রিপোর্ট/আরএ/জুন ২৯, ২০১৬)

১৭ জুলাই থেকে ইভিন্স টেক্সটাইলের শেয়ার লেনদেন শুরু

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদন ও লটারি শেষ হওয়া ইভিন্স টেক্সটাইলসের শেয়ার লেনদেন শুরু হবে আগামি ১৭ জুলাই থেকে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ‘এন’ ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড ‘ETL’ ও ডিএসই কোম্পানি কোড ১৭৪৭২। ইভিন্স টেক্সটাইল আইপিও’র মাধ্যমে ১ কোটি ৭০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করার অনুমোদন পায়। প্রতিটি শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য হচ্ছে ১০ টাকা। অর্থাৎ কোনো প্রিমিয়াম ছাড়াই কোম্পানি বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করবে। উত্তোলিত অর্থে কোম্পানিটি মেশিনারিজ ক্রয়, ভবন নির্মাণ, চলতি মূলধন ও আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। মূলধন সংগ্রহের লক্ষে গত ২ মে থেকে ইভিন্স টেক্সটাইলসের আইপিওতে আবেদন শুরু হয় এবং চলে ১২ মে পর্যন্ত। এসময় কোম্পানিটির চাহিদার থেকে প্রায় ৩২ গুণ বেশি আবেদন জমা পড়ে। যাতে আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দের লক্ষে ২ জুন লটারি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ৪ এপ্রিল (সোমবার) অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশন সভায় কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১.৬২ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৭.৬২ টাকা। কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজারের দায়িত্বে রয়েছে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

(দ্য রিপোর্ট/আরএ/জুন ২৮, ২০১৬)