বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের লেনদেন শুরু আজ

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা বীমা খাতের বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন শুরু হচ্ছে আজ। সকাল সাড়ে ১০টায় দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে এ কোম্পানির লেনদেন। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ‘এন’ ক্যাটাগরির আওতায় লেনদেন শুরু করবে। কোম্পানিটিরি ট্রেডিং কোড- BNICL, ডিএসইতে কোম্পানি কোড-২৫৭৪৭ এবং সিএসইতে কোম্পানি কোড- ১১০৩৯।

এর আগে গত ১৭ এপ্রিল কোম্পানিটি লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২০ মার্চ আইপিও লটারির ড্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কোম্পানিটি। আইপিও’র মাধ্যমে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের ১ কোটি ৭৭ লাখ সাধারণ শেয়ার ইস্যু করার অনুমোদন পায়। এর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে মোট ১৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা উত্তোলন করে কোম্পানিটি।

উত্তোলিত টাকা থেকে কোম্পানিটি এফডিআরে বিনিয়োগ, ট্রেজারি বন্ড ও প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের খরচ খাতে ব্যয় করবে। এ কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

২০১৪ সালের শেষ হওয়া সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী এক্সট্রা অর্ডিনারি ইনকাম ব্যাতীত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ১.০৭ টাকা ও নেট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) ১৫.৬৫ টাকা।

শেয়ারনিউজ২৪/এম আর এইচ/১০.০১াবাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের লেনদেন শুরু
ঢাকা, এপ্রিল ২০:

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা বীমা খাতের বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টায় দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে এ কোম্পানির লেনদেন। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, আগামী ২১ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ‘এন’ ক্যাটাগরির আওতায় লেনদেন শুরু করবে। কোম্পানিটিরি ট্রেডিং কোড- BNICL, ডিএসইতে কোম্পানি কোড-২৫৭৪৭ এবং সিএসইতে কোম্পানি কোড- ১১০৩৯। এর আগে গত ১৭ এপ্রিল কোম্পানিটি লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২০ মার্চ আইপিও লটারির ড্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কোম্পানিটি। আইপিও’র মাধ্যমে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের ১ কোটি ৭৭ লাখ সাধারণ শেয়ার ইস্যু করার অনুমোদন পায়। এর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে মোট ১৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা উত্তোলন করে কোম্পানিটি। উত্তোলিত টাকা থেকে কোম্পানিটি এফডিআরে বিনিয়োগ, ট্রেজারি বন্ড ও প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের খরচ খাতে ব্যয় করবে। এ কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

২০১৪ সালের শেষ হওয়া সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী এক্সট্রা অর্ডিনারি ইনকাম ব্যাতীত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ১.০৭ টাকা ও নেট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) ১৫.৬৫ টাকা।

শেয়ারনিউজ২৪/এম আর এইচ/১০.০১

 

এনার্জি প্যাকের আইপিও আবেদন বাতিল

এনার্জিপ্যাক পাওয়ারের আইপিও অনুমোদন বাতিল করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। পাশাপাশি নতুন আইনে পুনরায় আইপিও অনুমোদনের জন্য আবেদন করতে কোম্পানি ও ইস্যু ম্যানেজারকে চিঠি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। এদিকে, এনার্জিপ্যাক পাওয়ারের ইস্যু ম্যানেজার আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান শেয়ারনিউজ২৪-কে জানান, এনার্জিপ্যাক পাওয়ারের আইপিও বাতিলের কথা আমি শুনেছি, কিন্তু এখন পর্যন্ত এ সংক্রান্ত কোন চিঠি বিএসইসির পক্ষ থেকে আমাদের কাছে আসে নি।এর আগে গত ৫ জানুয়ারির সভায় এনার্জিপ্যাককে নির্দিষ্ট মূল্য পদ্ধতিতে প্রিমিয়ামসহ ২৫ টাকা দরে প্রায় ৪২ কোটি টাকার মূলধন উত্তোলনে আইপিও অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিএসইসি।প্রিমিয়াম চাইলে বাধ্যতামূলকভাবে আইপিওর বুক বিল্ডিং পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। এমন নিয়ম রেখে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর আইপিওর নতুন বিধিমালার গেজেট হয়। এর পাঁচদিন পর পুরনো আইনে এনার্জিপ্যাককে প্রিমিয়ামসহ আইপিও অনুমোদনের সিদ্ধান্ত হয়। জানা যায়, আইপিওর মাধ্যমে ১ কোটি ৬৭ লাখ ৩০ হাজার ২০০টি শেয়ার ছেড়ে কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে ৪১ কোটি ৮২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা সংগ্রহ করার কথা ছিল। আহরিত টাকা দিয়ে ব্যাংক ঋণ পরিশোধ, চলতি মূলধন ও আইপিও খাতে ব্যয় করার কথা জানিয়ে ছিল প্রতিষ্ঠানটি।এদিকে নিরীক্ষিত আর্থিক হিসাব অনুযায়ী, এনার্জি প্যাকের বিগত ৫ বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৯১ (ওয়েটেড এভারেজ) টাকা করে। ৩০ জুন ২০১৫ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) ছিল ৩১.১৩ টাকা করে।

শেয়ারনিউজ/ডেস্ক/১৬.৩২

 

একমি ল্যাবরেটরিজের আইপিও আবেদন শুরু আজ

সূত্র মতে, একমি ল্যাবরেটরিজ ৫ কোটি সাধারণ শেয়ারের মধ্যে ৫০ শতাংশ অর্থাৎ ২ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার যোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের (ইলিজিবল ইন্সটিটিউশন ইনভেস্টরস) জন্য এবং ১০ শতাংশ অর্থাৎ ৫০ লাখ শেয়ার মিউচ্যুয়াল ফান্ডের জন্য যার প্রতিটি শেয়ার কাট-অফ মূল্যে অর্থাৎ ৮৫.২০ টাকায় সংরক্ষিত। অবশিষ্ট ৪০ শতাংশ অর্থাৎ ২ কোটি শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারী, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী এবং এনআরবিদের জন্য। যার প্রতিটি শেয়ার কাট-অফ মূল্যের ১০ শতাংশ কম মূল্য ৭৭ টাকায় ইস্যুর জন্য অনুমোদন দিয়েছে বিএসইসি।

কাট-অফ মূল্য নির্ধারণের বিডিংয়ের নির্দিষ্ট শেয়ার সংখ্যার ৩.৯০ গুন শেয়ারের আবেদন পড়ে ৮৫.২০ টাকা মূল্যে। এই আইপিওর মাধ্যমে কোম্পানিটি ৪০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা পুঁজি উত্তোলন করে ৩টি নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের খরচ খাতে ব্যয় করবে।

কোম্পানিটির বিগত ৫ বছরের (১ জুলাই,২০১০ থেকে ৩০ জুন ২০১৫ পর্যন্ত) নিরীক্ষিত বিবরণী অনুযায়ী শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪.০৭ টাকা (ওয়েটেড) এবং ৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৫.৭০ টাকা। ৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানির নিট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) ৭০.৩৭ টাকা।

কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং রেজিষ্টার টু দি ইস্যুর দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে প্রাইম ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

উল্লেখ্য, বিএসইসির ৫৬৭তম কমিশন সভায় দ্য একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডকে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়। ইলিজিবল ইনভেষ্টররা এ কোম্পানির প্রতিটি শেয়ার ৮৫.২০ টাকায় (৭৫.২০ টাকা প্রিমিয়াম) পাবে। এছাড়া সাধারণ বিনিয়োগকারী,ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী এবং নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশী (এনআরবি) বিনিয়োগকারীরা প্রতিটি শেয়ার কাট-অফ মূল্যের ১০ শতাংশ কমে ৭৭ টাকায় আইপিও আবেদন করতে পারবেন।
শেয়ারনিউজ/ডেস্ক/

ইভিন্স টেক্সটাইলের আইপিও শুরু ২ মে

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়ার একদিন পরেই সাবপ্ক্রিপশন ডেট নিধার্রণ করেছে ইভিন্স টেক্সটাইল লিমিটেড। কোম্পানীটি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আগামী ২ মে থেকে আবেদনপত্র ও টাকা জমা নেওয়া শুরু করবে। যা চলবে ১২ মে পর্যন্ত। আজ (৫ এপ্রিল) মঙ্গলবার কোম্পিানিটি প্রসপেক্টাস অনুমোদন করেছে। আর তাতে এ সাবপ্ক্রিপশন ডেট নিধারর্ণ করা হয়। এর আগে সোমবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ৫৬৯তম সভায় ইভিন্স টেক্সটাইলসের আইপিও অনুমোদন করে। অভিহিত মূল্যে তথা ১০ টাকা দরে এক কোটি ৭০ লাখ শেয়ার ইস্যু করবে কোম্পানিটি। আর এর মাধ্যমে বাজার থেকে ১৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে কোম্পনিটি। ইভিন্স টেক্সটাইলসের আইপিও’র মার্কেট লট ৫০০ শেয়ার নিধারণ করা হয়েছে। প্রতি লটের জন্য একজন বিনিয়োগকারীর প্রয়োজন হবে ৫ হাজার টাকা। কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়া হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় করেছে ১.৬২ টাকা। আর শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৭.৬২ টাকা। উল্লেখ্য, সাধারণত আইপিও অনুমোদন দেওয়ার পর কোম্পানির সাবপ্ক্রিপশন নিধারণ করে থাকে নিয়ন্ত্রন সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কিন্তু সংশোধিত পাবলিক ইস্যু রুলসের নিয়মেরঅধীনে আইপিও অনুমোদনের পরপরই প্রসপেক্টাস প্রকাশ করল সংশ্লিষ্ট কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।

শেয়ারনিউজ২৪/এম আর এইচ/১১:০০

বুধবার থেকে ডোরিন পাওয়ারের লেনদেন শুরু

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করাবিদ্যুৎ খাতের কোম্পানি ডোরিন পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ডসিস্টেমস লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন বুধবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। ডিএসইসূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা যায়, আগামী ৬এপ্রিল, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায়দেশের উভয় শেয়ারবাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে ডোরিন পাওয়ারের লেনদেন। এদিন ‘এন’ ক্যাটাগরির আওতায় লেনদেন শুরু করবে কোম্পানিটি। আর এর ট্রেডিং কোড-“DOREENPWR” এবং ডিএসইতে কোম্পানি কোড-১৫৩১৯ হবে। এর আগে গতকাল (৩ এপ্রিল) রোববার লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ারসেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের নিজ নিজ বিও হিসাবে জমা করেছে ডোরিন পাওয়ার। উল্লেখ্য, গত ১০ মার্চডোরিন পাওয়ারের আইপিও লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। আরসোমবার ২৮ মার্চ অনুষ্ঠিত ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ কোম্পানিকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়া হয়। এর আগে বিএসইসির ৫৬০তম সভায় ডোরিন পাওয়ারের আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৫৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১৯ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৯ টাকা মূল্যে শেয়ার ইস্যু করে কোম্পানিটি। কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে টাকা সংগ্রহ করে ২টি সহযোগী কোম্পানির পাওয়ার প্লান্ট স্থাপন, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিওর কাজে ব্যয় করবে। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে অ্যালায়েন্স ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস লিমিটেড এবং আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। কোম্পানিটির গত ৫ বছরের ওয়েটেড এভারেজ শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.১৯ টাকা। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩৪.৮৭ টাকা।

শেয়ারনিউজ২৪/এম আর এইচ/১৩:১০

ডোরিন পাওয়ারের শেয়ার বিওতে জমা

লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাবে জমা করা প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানি ডোরিন পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেড। সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, ডোরিন পাওয়ারের লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার সিডিবিএলের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের নিজ নিজ বিও হিসাবে আজ (৩ এপ্রিল) রোববার জমা হয়েছে। এর আগে গত ১০ মার্চ ডোরিন পাওয়ারের আইপিও লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। আর সোমবার ২৮ মার্চ অনুষ্ঠিত ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ কোম্পানিকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়া হয়। উল্লেখ্য, বিএসইসির ৫৬০তম সভায় ডোরিন পাওয়ারের আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৫৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১৯ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৯ টাকা মূল্যে শেয়ার ইস্যু করে কোম্পানিটি।
কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে টাকা সংগ্রহ করে ২টি সহযোগী কোম্পানির পাওয়ার প্লান্ট স্থাপন, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিওর কাজে ব্যয় করবে। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে অ্যালায়েন্স ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস লিমিটেড এবং আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। কোম্পানিটির গত ৫ বছরের ওয়েটেড এভারেজ শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.১৯ টাকা। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩৪.৮৭ টাকা।

শেয়ারনিউজ২৪/এম আর এইচ/১১:১৫

বুধবার থেকে ড্রাগন সোয়েটারের লেনদেন শুরু

২৩ মার্চ বুধবার থেকে দেশের উভয় বাজারে লেনদেন শুরু হচ্ছে ড্রাগন সোয়েটার অ্যান্ড স্পিনিং মিলসের। ‘এন’ ক্যাটাগরিভুক্ত হিসেবে উভয় বাজারে এ কোম্পানির লেনদেন শুরু হবে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গত ১৬ মার্চ প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) বিজয়ী আবেদনকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্টে শেয়ার জমা দিয়েছে কোম্পানিটি। শেয়ার জমা দেওয়ার পর এ লেনদেন শুরুর তারিখ নির্ধারণ করেছে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জ। এর আগে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি আইপিওতে আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দে লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। কোম্পানির চাহিদার তুলনায় বেশি আবেদন পড়ায় এ লটারি অনুষ্ঠিত হয়। কোম্পানিটিকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ৪ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৪০ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমোদন দেয় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলিত টাকায় মেশিন ক্রয়, বিল্ডিং ও সিভিল কনস্ট্রাকশন, স্পেয়ার পার্টস ক্রয়, চলতি মূলধন এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি। কোম্পানিটির গত ৫ বছরের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১.৩৩ টাকা (ওয়েটেড এভারেজ) এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৮.৭৯ টাকা। কমিশনের ৫৬১ তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদন পাওয়ার পর কোম্পানিটি ১৭ জানুয়ারি থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত আইপিও আবেদন গ্রহণ করে। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে স্বদেশ ইনভেস্টমেন্ট।

জানা গেছে, শতভাগ রফতানিমুখী সুতা ও সোয়েটার উৎপাদনকারী এ কোম্পানি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ২৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা। বছরে ৬৫ লাখ ৭০ হাজার পাউন্ড সুতা ও ২১ লাখ ৬০ হাজার পিস সোয়েটার উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে এ কোম্পানির। আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রক সংস্থা (আইএসও) সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানটি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশসহ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মেক্সিকো, ব্রাজিল, চিলি, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের কিছু দেশে সোয়েটার রফতানি করে।

(দ্য রিপোর্ট/এমকে/এম/মার্চ ২১, ২০১৬)

 

Expository essay examples for college try on paper4college

Will certainly recommend you to any others.Shivani Sharma, CEO of social media marketing agency Firefly Creative Inc.If you are getting value for money, then you can order many papers and have all your assignments written online.We want a document that is largely authored by the private sector.Good answer here might involve an unusual hobby or experience, but the possibilities are endless.Essays which are not submitted by this time will not be considered under any circumstances.Delete ALL of the text and leave the margins and other formatting alone online college homework help cause and effect essay examples college. Content for Metro Parent is determined months in advance.Sign in or create an account so we can save this story to your Reading List.Effective Report Writing on Acuitas.Are foreign words and phrases that only make sense to certain people.More young writers putting their mark on the writing world.

একমি’র আইপিও আবেদন শুরু ১১ এপ্রিল

আগামী ১১ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছেএকমি ল্যাবরেটরিজের প্রাথমিক গণ প্রস্তাব (আইপিও) আবেদন গ্রহন। যা ২১ এপ্রিল পর্যন্তচলবে। স্থানীয় ও প্রবাসী উভয় বিনিয়োগকারীদের জন্য এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৬৭তম সভায় একমি ল্যাবরেটরিজকে আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। কোম্পানিটির ৫ কোটি সাধারণ শেয়ার বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, এর মধ্যে ৫০ শতাংশ বা আড়াই কোটি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য, ১০ শতাংশ বা ৫০ লাখ শেয়ার মিউচ্যুয়াল ফান্ডের জন্য, যার প্রতিটি কাট-অফ ৮৫ টাকা ২০ পয়সায়, বাকি ৪০ শতাংশ বা ২ কোটি শেয়ার সাধারণ বিনিযোগকারী, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী ও এনআরবিদের জন্য। এই শেয়ারের কাট-অফ মুল্য ১০ শতাংশ কমে বা ৭৭ টাকায় ইস্যুর জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

আইপিও আবেদনের মাধ্যমে কোম্পানিটি ৪০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করে এই টাকা দিয়ে ৩টি নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং প্রাথমিক গণ প্রস্তাবে খরচ করবে।

আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড কোম্পানিটিরইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে। আরপ্রাইম ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড রয়েছেরেজিষ্টার টু দি ইস্যুর দায়িত্বে।

শেয়ারনিউজ/এমআর/১০.১৯