শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজের আইপিও অনুমোদন

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলনের অনুমোদন পেয়েছে শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ৫৮৯তম সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মূখপাত্র এম. সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পুঁজিবাজারে ২ কোটি সাধারণ শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ। আর এ লক্ষ্যে অভিহিত মূল্যে তথা ১০ টাকা দরে শেয়ার ইস্যু করবে কোম্পানিটি। আর উত্তোলিত টাকা দিয়ে ওয়াশিং প্লান্ট ভবন নির্মাণ, সম্প্রসারণ, মেশিন ও সরঞ্জামদি ক্রয়, ইটিপি সম্প্রসারণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি। জানা যায়, ৩০ জুন, ২০১৬ পর্যন্ত সমাপ্ত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১.৪৪ টাকা (ওয়েটেড এভারেজ) এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৮.৭০ টাকা। কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে আলফা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। শেয়ারনিউজ/এআর

প্যাসিফিক ডেনিমসের আইপিও আবেদন শুরু ১১ ডিসেম্বর

শেয়ারবাজার থেকে টাকা সংগ্রহের লক্ষে বস্ত্র খাতের প্যাসিফিক ডেনিমসের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদন শুরু হবে আগামি ১১ ডিসেম্বর। চলবে ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৮২তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।

প্যাসিফিক ডেনিমস শেয়ারবাজার থেকে ৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। প্রতিটি শেয়ার অভিহিত মূল্য ১০ টাকা করে ৭ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে এ টাকা সংগ্রহ করা হবে। সংগৃহীত টাকার ৪৭ কোটি ৯৪ লাখ টাকা দিয়ে ব্যবসায় সম্প্রসারন, ২৫ কোটি টাকা দিয়ে ঋণ পরিশোধ ও ২ কোটি ৬ লাখ টাকা আইপিও ব্যয় নির্বাহ কাজে ব্যবহার করা হবে। শতভাগ রপ্তানিকারক প্যাসিফিক সর্বশেষ ২০১৫ সালে ১৬৮ কোটি ২৫ লাখ টাকার বিক্রয় করে। এক্ষেত্রে কোম্পানিটি করপরবর্তী প্রায় ১০ কোটি টাকা নীট মুনাফা বা শেয়ারপ্রতি ২.৬৩ টাকা আয় করে। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নীট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো হয় ২ টাকা। ৩৮ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটিতে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরে শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) দাড়িয়েছে ২৬.৪৩ টাকায়।

প্রাইভেট লিমিটেড হিসাবে ২০০৩ সালে গঠিত প্যাসিফিক ডেনিমস ২০০৭ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে। এছাড়া ২০১১ সালে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রুপান্তর হয়।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড।

(দ্য রিপোর্ট/আরএ/নভেম্বর ১০, ২০১৬)

সোমবার সামিট পাওয়ারের শেয়ার লেনদেন শুরু

সোমবার (১০ অক্টোবর) সামিট পাওয়ারের শেয়ার লেনদেন শুরু হচ্ছে। দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে ২৪ আগস্টে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ। যা ২৮ আগস্ট থেকে কার্যকর হয়। একইসঙ্গে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সামিট পাওয়ারের লেনদেন বন্ধ থাকবে।

কোম্পানিটির একীভুতকরন সঠিক হয়নি এমন অভিযোগে শেয়ার লেনদেন বন্ধ রাখা হয়।

পূর্ব ঘোষণা অনুসারে, ২৩ আগস্ট রেকর্ড ডেটের পর ২৪ আগস্ট থেকে সামিট পাওয়ারের সঙ্গে গ্রুপের আরও তিন বিদ্যুত্ কোম্পানির একীভূতকরণ স্কিম কার্যকর হয়েছে। এর মধ্যে এসপিপিসিএল শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ছিল। কোম্পানিটিকে গতকাল তালিকাচ্যুত করেছে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ। এদিকে এখনো আনুপাতিক হারে সামিট পাওয়ারের শেয়ার পাননি এসপিপিসিএলের শেয়ারহোল্ডাররা।

একীভূতকরণ অনুযায়ী, নিজ কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে সামিট পাওয়ারের ১ দশমিক ৩০৯টি শেয়ার পাবেন সামিট পূর্বাঞ্চলের শেয়ারহোল্ডাররা। সামিট উত্তরাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানির একটি শেয়ারের বিপরীতে সামিট পাওয়ারের ১ দশমিক ৬৬৮টি এবং সামিট নারায়ণগঞ্জ পাওয়ারের একটি শেয়ারের বিপরীতে সামিট পাওয়ারের ১ দশমিক ৪৭৫টি শেয়ার দেয়া হবে।

(দ্য রিপোর্ট/আরএ/অক্টোবর ০৯, ২০১৬)

প্যাসিফিক ডেনিমসের আইপিও অনুমোদন

শেয়ারবাজার থেকে টাকা সংগ্রহের লক্ষে বস্ত্র খাতের প্যাসিফিক ডেনিমস প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পেয়েছে। শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৮২তম কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহি পরিচালক ও মূখপাত্র মোঃ সাইফুর রহমান সাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। প্যাসিফিক ডেনিমস শেয়ারবাজার থেকে ৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। প্রতিটি শেয়ার অভিহিত মূল্য ১০ টাকা করে ৭ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে এ টাকা সংগ্রহ করা হবে। সংগৃহীত টাকার ৪৭ কোটি ৯৪ লাখ টাকা দিয়ে ব্যবসায় সম্প্রসারন, ২৫ কোটি টাকা দিয়ে ঋণ পরিশোধ ও ২ কোটি ৬ লাখ টাকা আইপিও ব্যয় নির্বাহ কাজে ব্যবহার করা হবে। শতভাগ রপ্তানিকারক প্যাসিফিক সর্বশেষ ২০১৫ সালে ১৬৮ কোটি ২৫ লাখ টাকার বিক্রয় করে। এক্ষেত্রে কোম্পানিটি করপরবর্তী প্রায় ১০ কোটি টাকা নীট মুনাফা বা শেয়ারপ্রতি ২.৬৩ টাকা আয় করে। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নীট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো হয় ২ টাকা। ৩৮ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটিতে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরে শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) দাড়িয়েছে ২৬.৪৩ টাকায়।প্রাইভেট লিমিটেড হিসাবে ২০০৩ সালে গঠিত প্যাসিফিক ডেনিমস ২০০৭ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে। এছাড়া ২০১১ সালে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রুপান্তর হয়।কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড।

(দ্য রিপোর্ট/আরএ/সেপ্টেম্বর ০১, ২০১৬)

ফরচুন সু’র আইপিও আবেদন শুরু কাল থেকে

প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া ফরচুন সুজ লিমিটেডের আইপিও আবেদন কাল থেকে শুরু হচ্ছে। যা চলবে আগামী ২৮ আগস্ট পর্যন্ত। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা যায়, ফরচুন সুজের আইপিও আবেদন আগামী ১৬ আগস্ট থেকে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। স্থানীয় ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীরাদের জন্য একই সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে বিএসইসির অনুষ্ঠিত ৫৭৯তম কমিশন সভায়কোম্পানিটিকে আইপিও’র মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দেন নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড একচেঞ্জে কমিশন (বিএসইসি)। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্য মোট ২ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ২২ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। আইপিও’র মাধ্যমে উত্তোলিত টাকা কোম্পানিটি ভবন নির্মাণ, মেশিন ও সরঞ্জাম ক্রয় এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইমপেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটির ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬ পর্যন্ত ৯ মাসের সমাপ্ত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২২ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৩.৭৫ টাকা।

 

ইয়াকিন পলিমারের আইপিও লটারি ১০ আগষ্ট

আগামী ১০ আগষ্ট ইয়াকিন পলিমারের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদনকারীদের মধ্যে লটারি অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর কাকরাইলে ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে এ লটারি হবে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে ১০ থেকে ২০ জুলাই কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদন গ্রহণ করা হয়। কোম্পানিটি আইপিও’র মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে অভিহিত মূল্যে ১০ টাকা করে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে এই টাকা সংগ্রহ করবে। ব্যবসায় সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এই টাকা দিয়ে মেশিনারিজ ক্রয়, কারখানা ও প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক খাতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি। আইপিও থেকে অর্থ সংগ্রহ ও ব্যবহার করতে প্রায় ৯ মাস সময় লেগে যাবে বলে জানান কোম্পানিটির চেয়ারম্যান কাজী আনোয়ারুল হক। যাতে আইপিও অর্থের সুফল পেতে ৯ মাস সময় লাগবে। আর আইপিও অর্থ ব্যবহারে ভবিষ্যতে ৩০ শতাংশ টার্নওভার বাড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। ইয়াকিন পলিমার ২০০১ সালে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসাবে রেজিস্ট্রিত হয় ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের অধীনে। কোম্পানিটি বাণিজ্যিকভাবে কাজ শুরু করে ২০০৩ সালের ১৫ জুলাই। সাতক্ষীরায় রয়েছে ইয়াকিন পলিমারের ফ্যাক্টরি। কোম্পানিটির প্রধান উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে রয়েছে সিমেন্ট, ফিড ও টেক্সটাইল দ্রব্যের জন্য ব্যাগ তৈরি করা। এ ছাড়া কোম্পানিটি গার্মেন্টস এক্সেসরিজের জন্য পলি, পণ্যদ্রব্য রপ্তানির জন্য বাল্ক ব্যাগ ও তারপলি (ত্রিপল) উৎপাদন করে থাকে। ইয়াকিন পলিমার বিশেষ বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ব্যাগ তৈরি করে বলে জানান কোম্পানিটির চেয়ারম্যান। পুন-ব্যবহারযোগ্য শপিং ব্যাগ তৈরি করা যার মধ্যে অন্যতম। এ ছাড়া পাতলা ও রিসাইকেলঅ্যাবল ব্যাগ রয়েছে এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের মধ্যে। ২০১৫ সালের ৩০ জুন হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৪১ টাকা। আর ২০১৫ সালের ৩০ জুনে শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৪.৬১ টাকায়।

(দ্য রিপোর্ট/আরএ/জুলাই ৩১, ২০১৬)