ইভিন্স টেক্সটাইলের লিস্টিং অনুমোদন দিলো ডিএসই

প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) লটারির ড্র সম্পন্ন করা বস্ত্র খাতের কোম্পানি ইভিন্স টেক্সটাইল লিমিটেডকে শেয়ারবাজারে লিস্টিংয়ের অনুমোদন দিয়েছে ঢাকা স্টক একচেঞ্জে (ডিএসই)। আজ (১৯ জুন) রোবাবর ডিএসই’র পরিচালনা পর্ষদ সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে লেনদেন শুরুর তারিখ পরবর্তী পরিচালনা পর্ষদ সভা নেওয়া হবে বলে ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। সূত্রে জানায়, ইভিন্স টেক্সটাইলের লটারি ড্রয়ে বিজয়ীদের শেয়ার সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) মাধ্যমে জমা হওয়ার পরই তালিকাভুক্তির তারিখ নিধার্রণ করবে ডিএসই। উল্লেখ্য, গত ২ জুন ইভিন্স টেক্সটাইলের আইপিও লটারি অনুষ্ঠিত হয়। এরপর কোম্পানিটি লটারি-তে বিজয়ী বিও হিসাবে শেয়ার জমা করার জন্য সিডিবিএলে আবেদন করেছে। তবে সিডিবিএল এখনও বিজয়ী বিও হিসাবে কোম্পানিটির শেয়ার জমা করতে পারেনি। এ প্রসঙ্গে সিডিবিএলর এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, আগামী সপ্তাহের প্রথম দিকেই বিও-তে শেয়ার জমা সম্পন্ন হবে। জানা যায়, বিএসইসির ৫৫৯তম সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। ১০ টাকা অভিহিত মূল্য বাজারে ১ কোটি ৭০ লাখ শেয়ার ছাড়বে ইভিন্স টেক্সটাইল। যার মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০টি শেয়ারে। আর এর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করে কোম্পানিটি। পুঁজিবাজার থেকে টাকা সংগ্রহ করে মেশিনারিজ ক্রয়, ভবন নির্মাণ, চলতি মূলধন এবং আইপিওর খরচ কাজে ব্যয় করবে কোম্পানিটি। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৬২ টাকা। আর শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৭.৬২ টাকা। শেয়ারনিউজ২৪/এম আর এইচ/১৭:১০

১০ জুলাই থেকে ইয়াকিন পলিমারের আইপিও আবেদন শুরু

আগামী ১০ জুলাই থেকে ইয়াকিন পলিমারের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদন শুরু হবে। চলবে ২০ জুলাই পর্যন্ত। যে কোম্পানিটির শেয়ারবাজার থেকে উত্তোলিত টাকা ব্যবহারে প্রায় ৩০ শতাংশ টার্নওভার বাড়বে। কোম্পানিটির চেয়ারম্যান কাজী আনোয়ারুল হক দ্য রিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন। ইয়াকিন পলিমার আইপিও’র মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে অভিহিত মূল্যে ১০ টাকা করে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে এই টাকা সংগ্রহ করবে। ব্যবসায় সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এই টাকা দিয়ে মেশিনারিজ ক্রয়, কারখানা ও প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক খাতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি। আইপিও থেকে অর্থ সংগ্রহ ও ব্যবহার করতে প্রায় ৯ মাস সময় লেগে যাবে বলে জানান কোম্পানিটির চেয়ারম্যান কাজী আনোয়ারুল হক। যাতে আইপিও অর্থের সুফল পেতে ৯ মাস সময় লাগবে। আর আইপিও অর্থ ব্যবহারে ভবিষ্যতে ৩০ শতাংশ টার্নওভার বাড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। ইয়াকিন পলিমার ২০০১ সালে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসাবে রেজিস্ট্রিত হয় ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের অধীনে। কোম্পানিটি বাণিজ্যিকভাবে কাজ শুরু করে ২০০৩ সালের ১৫ জুলাই। সাতক্ষীরায় রয়েছে ইয়াকিন পলিমারের ফ্যাক্টরি। কোম্পানিটির প্রধান উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে রয়েছে সিমেন্ট, ফিড ও টেক্সটাইল দ্রব্যের জন্য ব্যাগ তৈরি করা। এ ছাড়া কোম্পানিটি গার্মেন্টস এক্সেসরিজের জন্য পলি, পণ্যদ্রব্য রপ্তানির জন্য বাল্ক ব্যাগ ও তারপলি (ত্রিপল) উৎপাদন করে থাকে। ইয়াকিন পলিমার বিশেষ বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ব্যাগ তৈরি করে বলে জানান কোম্পানিটির চেয়ারম্যান। পুন-ব্যবহারযোগ্য শপিং ব্যাগ তৈরি করা যার মধ্যে অন্যতম। এ ছাড়া পাতলা ও রিসাইকেলঅ্যাবল ব্যাগ রয়েছে এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের মধ্যে। চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশে ইয়াকিন পলিমারের ন্যায় দ্রব্য তৈরি করে এমন আরো প্রায় ৬০ এর অধিক কোম্পানি রয়েছে। এর মধ্যে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে ১০টি কোম্পানি। ইয়াকিন পলিমার এই ১০টি’র একটি। সাতক্ষীরার একটি স্বল্প উন্নত এলাকায় ফ্যাক্টরি তৈরি এবং সেখান থেকে উৎপাদিত দ্রব্য বিদেশে রপ্তানি করতে পেরে গর্ববোধ প্রকাশ করেন কোম্পানিটির চেয়ারম্যান। এ ছাড়া সাতক্ষীরায় সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টরি তৈরি ও প্রায় ৭৫০ জনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারায় আনন্দ প্রকাশ করেন। ২০১৫ সালের ৩০ জুন হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৪১ টাকা। আর ২০১৫ সালের ৩০ জুনে শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৪.৬১ টাকায়।

(দ্য রিপোর্ট/আরএ/এইচ/জুন ১২, ২০১৬)

 

ইয়াকিন পলিমার আইপিও জমার তারিখ নির্ধারণ

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তলনের অনুমোদন পাওয়া ইয়াকিন পলিমার লিমিটেডের আইপিও জমার তারিখ নির্ধালণ করেছে। আগামী ১০ জুলাই থেকে শুরু হয়ে আগামী ২০ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করতে পারবে বিনিয়োগকারীরা। নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। স্থানীয় ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য একই সময়সীমা নির্ধারণ করেছে কোম্পানিটি। জানা যায়, ইয়াকিন পলিমার ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা বাজার থেকে উত্তোলন করবে। এ টাকা দিয়ে মেশিনারিজ ক্রয়, কারখানা ও প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক খাতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি। এর আগে ৫৭৩তম বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ইয়াকিন পলিমারের আইপিও অনুমোদন দেন । কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং ফাস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। উল্লেখ্য, ৩০ জুন, ২০১৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস)হয়েছে ১.৪১ টাকা। আর শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৪.৬১ টাকা।

শেয়ারনিউজ২৪/এম আর এইচ/১২:৩০

 

১৩৫ টাকায় একমির লেনদেন শুরু এখন পর্যন্ত সর্বশেষ দর ১২৫ টাকা

বুক বিল্ডিং প্রক্রিয়ায় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া একমি ল্যাবরেটরিজের লেনদেন শুরু হয়েছে আজ। লেনদেন শুরুর পর কোম্পানিটির শেয়ার সর্বনি¤œ ১১৮.১০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১৩৫ টাকায় হাতবদল হতে দেখা গেছে। ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে দেখা যায়, ১৩৫ টাকায় লেনদেন শুরু করে একমি। কিন্তু এর পর কোম্পানিটির শেয়ার সর্বনি¤œ ১১৮.১০ টাকায় নেমে আসে। সকাল ১০ টা ৪৫ নাগাদ কোম্পানিটির সর্বশেষ ১২৭.১০ টাকায় হাতবদল হতে দেখা যায়। তবে, এরই মধ্যে কোম্পানিটির ৪৯ লাখ ৫৯ হাজার ৫৩০টি শেয়ার হাতবদল হয়েছে। যার বাজার দর হয়েছে ৬২ কোটি ৩৮ লাখ ৯৭ হাজার টাকা। সূত্র জানায়, একমির শেয়ার কিনতে ঋণ সুবিধা না দেওয়ার জন্য স্টক ব্রোকার্স, মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এবং পোর্টফোলিও ম্যানেজারদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। কোম্পানির লেনদেনের প্রথম ৩০ দিনে এই ঋণ সুবিধা দেওয়া যাবে না। প্রসঙ্গত, ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড আজ থেকে পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু করবে। ডিএসইতে কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড হবে ” একমিল্যাব”। আর কোম্পানি কোড হবে ১৮৪৯১। অন্যদিকে সিএসইতে কোম্পানিটির স্ক্রীপ কোড হবে ” একমিল্যাব”। আর কোম্পানিটির স্ক্রীপ আইডি হবে ১৩০৩০। এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৬৭তম সভায় কোম্পানিটিকে ৫ কোটি সাধারণ শেয়ার বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওতে ছাড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ বা আড়াই কোটি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য; ১০ শতাংশ বা ৫০ লাখ শেয়ার মিউচ্যুয়াল ফান্ডের জন্য। যার প্রতিটি শেয়ারের কাট-অফ মূল্য ৮৫ টাকা ২০ পয়সা, বাকি ৪০ শতাংশ বা ২ কোটি শেয়ার সাধারণ বিনিযোগকারী, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী ও এনআরবিদের জন্য। এই শেয়ারের কাট-অফ মূল্য ১০ শতাংশ কমে বা ৭৭ টাকায় সাধারণ বিনিয়োগকারী, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী ও এনআরবিদের জন্য প্রস্তাব করা হয়। আইপিও আবেদনের মাধ্যমে কোম্পানিটি ৪০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করে। এই টাকা দিয়ে কোম্পানিটি ৩টি নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে খরচ করবে। কোম্পানিটির বিগত ৫ বছরের নিরীক্ষিত বিবরণী অনুযায়ী, শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ০৭ পয়সা। আর ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছর অনুযায়ী ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৭০ পয়সা। কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য বা এনএভি ৭০ টাকা ৩৭ পয়সা। ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আর রেজিষ্টার টু দি ইস্যুর দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ/ডেস্ক./১০.৫০

 

একমি ল্যাবরেটরিজের লেনদেন শুরু কাল

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি দ্য একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন আগামীকাল ৭ জুন সকাল সাড়ে দশটায় দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে শুরু হবে। ওইদিন এন ক্যাটাগরির আওতায় চালু হবে এ কোম্পানির লেনদেন। একমির ট্রেডিং কোর্ড- “ACMELAB” এবং ডিএসইতে কোম্পানি কোড- ১৮৪৯১ আর সিএসইতে কোম্পানি কোড- ১৩০৩১ দিয়ে শুরু করবে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এদিকে, লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার সিডিবিএলের মাধ্যমে গতকাল ৫ জুন বিনিয়োগকারীদের নিজ নিজ বিও হিসাবে পাঠিয়েছে কোম্পানিটি। এর আগে গত ১৫ মে আইপিও লটারির ড্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কোম্পানিটি। একমি ল্যাবরেটরিজের আইপিওতে ১২ লাখ ৭০ হাজার আবেদন পড়েছে। যা কোম্পানির প্রত্যাশার চেয়ে ৭.৬১ গুণ বেশি জামা পড়েছে। উল্লেখ্য গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৬৭তম সভায় একমি ল্যাবরেটরিজকে আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। কোম্পানিটির ৫ কোটি সাধারণ শেয়ার বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এরপর গত ১১ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত আইপিও আবেদন গ্রহণ করে কোম্পানিটি। স্থানীয় ও প্রবাসী উভয় বিনিয়োগকারিদের জন্য এই সময়সীমা নির্ধারণ করা ছিলো। এদিকে, গত ৩ এপ্রিল থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারিরা নিলামে নির্ধারিত টাকা জমা দেন। নিলামে মোট ১০ কোটি ১৬ লাখ ১৩ হাজার ৮০০ শেয়ারের দর বিভিন্ন হারে দর প্রস্তাব করে ১৯৩টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৮৫.২০ টাকা দরে নয় কোটি ৭৪ লাখ ৪২ হাজার শেয়ার কেনার জন্য দর প্রস্তাব করা হয়। এর মূল্য দাঁড়ায় ৮৩০ কোটি ২১ লাখ টাকা। বিধি অনুসারে, নিলামে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান শেয়ারের নির্দেশক মূল্য (Indicative Price) থেকে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ বেশি বা ২০ শতাংশ কম পর্যন্ত দর প্রস্তাব করতে পারে। একমি ল্যাবরেটরিজের শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ৭১ টাকা। এ হিসেবে এর সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য দর দাঁড়ায় ৮৫.২০ টাকা। আর সর্বনিম্ন দর হয় ৫৬.৮০ টাকা। নিলাম শেষে দেখা যায়, সর্বনিম্ন সীমা ৫৬.৮০ টাকা দরে একমির শেয়ার কেনার জন্য কোনো প্রতিষ্ঠান প্রস্তাব করেনি। তবে এর কাছাকাছি দাম ৫৭ টাকা দরে দুই লাখ শেয়ার কেনার জন্য একটি প্রতিষ্ঠান প্রস্তাব করেছে। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ বা আড়াই কোটি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারিদের জন্য ১০ শতাংশ বা ৫০ লাখ শেয়ার মিউচ্যুয়াল ফান্ডের জন্য। যার প্রতিটি কাট-অফ ৮৫ টাকা ২০ পয়সায়, বাকি ৪০ শতাংশ বা ২ কোটি শেয়ার সাধারণ বিনিযোগকারী, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী ও এনআরবিদের জন্য। এই শেয়ারের কাট-অফ মুল্য ১০ শতাংশ কমে বা ৭৭ টাকায় সাধারণ বিনিয়োগকারী, ক্ষতিগ্রস্থ বিনিয়োগকারী ও এনআরবিদের জন্য প্রস্তাব করা হয়।

আইপিও আবেদনের মাধ্যমে কোম্পানিটি ৪০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করে এই টাকা দিয়ে ৩টি নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং প্রাথমিক গণ প্রস্তাবে খরচ করবে।

কোম্পানিটির বিগত ৫ বছরের নিরীক্ষিত বিবরণী অনুযায়ী, শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ০৭ পয়সা। আর ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছর অনুযায়ী ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৭০ পয়সা। কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য ৭০ টাকা ৩৭ পয়সা।

কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড আর রেজিষ্টার টু দি ইস্যুর দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪/ডেস্ক/১৩:৫৫

 

একমির শেয়ার বিওতে জমা: লেনদেন শুরু শিগগিরই

লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি দ্য একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড। সিডিবিএল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র মতে, দ্য একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের আইপিও লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের নিজ নিজ বিও হিসাবে আজ ৫ জুন রোববার জমা হয়েছে। এদিকে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দিয়েছে। তাই যেকোন দিন এ কোম্পানির শেয়ার দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হতে পারে। এর আগে গত ১৫ মে আইপিও লটারির ড্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কোম্পানিটি। একমি ল্যাবরেটরিজের আইপিওতে ১২ লাখ ৭০ হাজার আবেদন পড়েছে। যা কোম্পানির প্রত্যাশার চেয়ে ৭.৬১ গুণ বেশি জামা পড়েছে। উল্লেখ্য গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৬৭তম সভায় একমি ল্যাবরেটরিজকে আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। কোম্পানিটির ৫ কোটি সাধারণ শেয়ার বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এরপর গত ১১ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত আইপিও আবেদন গ্রহণ করে কোম্পানিটি। স্থানীয় ও প্রবাসী উভয় বিনিয়োগকারিদের জন্য এই সময়সীমা নির্ধারণ করা ছিলো। এদিকে, গত ৩ এপ্রিল থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারিরা নিলামে নির্ধারিত টাকা জমা দেন। নিলামে মোট ১০ কোটি ১৬ লাখ ১৩ হাজার ৮০০ শেয়ারের দর বিভিন্ন হারে দর প্রস্তাব করে ১৯৩টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৮৫.২০ টাকা দরে নয় কোটি ৭৪ লাখ ৪২ হাজার শেয়ার কেনার জন্য দর প্রস্তাব করা হয়। এর মূল্য দাঁড়ায় ৮৩০ কোটি ২১ লাখ টাকা। বিধি অনুসারে, নিলামে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান শেয়ারের নির্দেশক মূল্য (Indicative Price) থেকে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ বেশি বা ২০ শতাংশ কম পর্যন্ত দর প্রস্তাব করতে পারে। একমি ল্যাবরেটরিজের শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ৭১ টাকা। এ হিসেবে এর সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য দর দাঁড়ায় ৮৫.২০ টাকা। আর সর্বনিম্ন দর হয় ৫৬.৮০ টাকা। নিলাম শেষে দেখা যায়, সর্বনিম্ন সীমা ৫৬.৮০ টাকা দরে একমির শেয়ার কেনার জন্য কোনো প্রতিষ্ঠান প্রস্তাব করেনি। তবে এর কাছাকাছি দাম ৫৭ টাকা দরে দুই লাখ শেয়ার কেনার জন্য একটি প্রতিষ্ঠান প্রস্তাব করেছে। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ বা আড়াই কোটি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারিদের জন্য ১০ শতাংশ বা ৫০ লাখ শেয়ার মিউচ্যুয়াল ফান্ডের জন্য। যার প্রতিটি কাট-অফ ৮৫ টাকা ২০ পয়সায়, বাকি ৪০ শতাংশ বা ২ কোটি শেয়ার সাধারণ বিনিযোগকারী, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী ও এনআরবিদের জন্য। এই শেয়ারের কাট-অফ মুল্য ১০ শতাংশ কমে বা ৭৭ টাকায় সাধারণ বিনিয়োগকারী, ক্ষতিগ্রস্থ বিনিয়োগকারী ও এনআরবিদের জন্য প্রস্তাব করা হয়। আইপিও আবেদনের মাধ্যমে কোম্পানিটি ৪০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করে এই টাকা দিয়ে ৩টি নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং প্রাথমিক গণ প্রস্তাবে খরচ করবে। কোম্পানিটির বিগত ৫ বছরের নিরীক্ষিত বিবরণী অনুযায়ী, শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ০৭ পয়সা। আর ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছর অনুযায়ী ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৭০ পয়সা। কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য ৭০ টাকা ৩৭ পয়সা। কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড আর রেজিষ্টার টু দি ইস্যুর দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারনিউজ২৪/এম আর এইচ/১১:৫৫

 

ইভেন্স টেক্সটাইলের আইপিও লটারির ড্র আজ

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে যাওয়া বস্ত্র খাতের কোম্পানি ইভেন্স টেক্সটাইল লিমিটেডের লটারি সকাল সাড়ে ১০ টায় রাওয়া ক্লাব কমিউনিটি সেন্টার,মহাখালী, ঢাকায় শুরু হবে। আইপিও লটারি ড্র সম্পন্ন হলে শেয়ার নিউজে তা প্রকাশ কারা হবে।
জানা যায়,ইভেন্স টেক্সটাইলের আইপিও আবেদন জমা গত ২ মে থেকে শুরু হয়ে ১২ মে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলে।সাধারণ ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য একই তারিখ নিধারর্ণ করা ছিল। এর আগে বিএসইসির ৫৫৯তম সভায় এ ইভেন্স টেক্সটাইলের আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। সূত্র জানায়, ১০ টাকা অভিহিত মূল্য বাজারে ১ কোটি ৭০ লাখ শেয়ার ছাড়ে ইভেন্স টেক্সটাইল। যার মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০টি শেয়ারে। অর্থাৎ প্রতিটি আইপিও অবেদনে শেয়ার হোল্ডারদের ৫ হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। পুঁজিবাজার থেকে টাকা সংগ্রহ করে মেশিনারিজ ক্রয়, ভবন নির্মাণ, চলতি মূলধন এবং আইপিওর খরচ কাজে ব্যয় করবে কোম্পানিটি। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড।

২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৬২ টাকা আর শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৭.৬২ টাকা।

শেয়ারনিউজ/ডেস্ক/১০.২৭

 

ইয়াকিন পলিমারের আইপিও অনুমোদন

ইয়াকিন পলিমার লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিএসইসির ৫৭৩তম কমিশন সভায় বৃহস্পতিবার (১৯ মে) এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। এক প্রেস‌ বিজ্ঞপ্তি‌তে এ তথ্য জানা‌নো হ‌য়ে‌ছে। ইয়াকিন পলিমার লিমিটেড পুঁজিবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। কোম্পানিটির অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং ফাস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। ৩০ জুন, ২০১৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ৪১ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৪ টাকা ৬১ পয়সা।

২০ কো‌টি টাকা দিয়ে মেশিনারিজ ক্রয়, কারখানা ও প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক খাতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি।

(দ্য রি‌পোর্ট/এন‌টি/এনআই/মে ১৯, ২০১৬)